স্ট্যাটাস

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামীক উক্তি, স্ট্যাটাস

আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন, আলহামদুলিল্লাহ আমরাও ভালো আছি, আপনাদের প্রিয় ওয়েবসাইটে আজকে আরো একটি নতুন টপিক নিয়ে হাজির হয়েছি আর আমাদের আজকের টপিকটি হলো কন্যা সন্তান নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ক্যাপশন কারণ কেউ যদি একটি কন্যা সন্তান থেকে থাকে তাহলে সে একটি জান্নাতের মালিক আর এই কথা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম নিজে বলেছেন। তাই আমাদের সকলের উচিত কন্যা সন্তানদের আদর যত্ন করা যদিও মানুষ সবাই আরো যত্ন করে থাকে তবে বর্তমান সময়েও অনেকেই রয়েছে যারা কন্যা সন্তানকে ভালো চোখে দেখতে পারে না।

আপনি যদি কন্যা সন্তান নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন খুঁজে থাকেন, বা খোঁজার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাহলে আপনাকে বলব আপনাকে আর কোথাও যেতে হবে না আপনি আমাদের এই আর্টিকেল থেকে কন্যা সন্তান নিয়ে স্ট্যাটাস ক্যাপশন কবিতা উক্তি মেসেজ সংগ্রহ করতে পারবেন। আমরা কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক মোতাবেক স্ট্যাটাস কবিতা তুলে ধরেছি এই আর্টিকেলে।

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস

কন্যা সন্তান নিয়ে আপনি যদি ইসলামীক স্ট্যাটাস খুজে থাকেন, তাহলে আপনি একেবারেই ঠিক জায়গায় রয়েছেন। আপনি আমাদের এই আর্টিকেল থেকে কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক স্ট্যাটাস সংগ্রহ করতে পারবেন নিচে তা পর্যায়ক্রমে সুন্দরভাবে দেওয়া হলো —

  • মেয়ে সন্তান যে ঘরে আসে কন্যা সন্তান তিনটি পুরস্কার নিয়ে দুনিয়াতে আসেন। কন্যা সন্তানের বাবা-মা হওয়া পরম সওয়াব ও সৌভাগ্যের।
  • নিঃসন্দেহে ‘কন্যা সন্তান’ বাবাদের জন্য। আল্লাহর পক্ষ থেকে এক‌টি বিশেষ উপহার।
  • কন্যা সন্তান সবার হয় না যার হয় সে পৃথিবীর ভাগ্যবান পিতা কন্যা সন্তান আল্লাহর দেওয়া সেরা উপহার।
  • হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘ওই স্ত্রী স্বামীর জন্য অধিক বরকতময়, যার দেন-মোহরের পরিমান কম হয় এবং যার প্রথম সন্তান হয় মেয়ে।
  • রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন, ‘যার গৃহে কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহন করল, অতঃপর সে তাকে (কন্যাকে) কষ্টও দেয়নি, তার ওপর অসন্তুষ্ট ও হয়নি এবং পুত্র সন্তানকে প্রাধান্য দেয়নি, তাহলে ওই কন্যার কারণে মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন।

কন্যা সন্তান নিয়ে ইসলামিক উক্তি

কন্যা সন্তান নিয়ে বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামীক পন্ডিত ব্যক্তিত্বরা বিভিন্ন সময়ে উক্তি বা বাণী দিয়েছেন আর সেই বাণী গুলো আমরা তুলে ধরেছি নিচে তা পর্যায়ক্রমে দেওয়া হল —

যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে অথবা দু’জন কন্যা সন্তান বা বোন আছে। সে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে এবং তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করেছে। তার জন্য রয়েছে জান্নাত।’ (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৬)

যে ব্যক্তিকে কন্যা সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা সম্পাদন করেছে সেই কন্যা সন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড়াল হবে। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৩)

যে ব্যক্তি দুইজন কন্যা সন্তানকে লালনপালন ও দেখাশুনা করল (বিয়ের সময় হলে ভালো পাত্রের কাছে বিবাহ দিল) সে এবং আমি জান্নাতে এরূপ একসঙ্গে প্রবেশ করব যেরূপ এ দুটি আঙুল। তিনি নিজের দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯১৪)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *